কবি রবীন বসু
অনন্য মুখোশ
তাকে ছু্ঁতে গিয়ে দেখি, সে আগেই ছুঁয়েছে রিক্তমাঠ
পদাবলি, ফোরলেন হাইওয়ের ধারঘেঁষে এক
শুনশান হাওয়া, রমণীর পোড়া মাংস, গ্যাংরেপ…
আমি এই অসহায় বিষাদ আর নির্ভরতাহীন
ভয় থেকে তুলে আনব যে স্পর্শ তাকেও তো
চোখ রাঙাচ্ছে সময় রাজনীতির সারসংক্ষেপ…
বিকৃতির দাবানল হু-হু ছুটছে বাতাসকে ধরে
বন প্রান্তর পার হয়ে অ্যাসফল্ট মাড়িয়ে মলের
মসৃণতা থেকে সুখী গৃহকোণের চৌহদ্দিতে…
বাজার-সংলগ্ন এই এত যে মহাফেজখানা
জমে আছে কত ক্লেদ, নির্বিকল্প নিরীক্ষণ
চৈতন্যচর্চিত বিবেক তাকে পাশে রেখে হাই তোলে...
সময় থেমেছে তাই, সভ্যতার রূপকল্প বেহদিশ
রমণী-চিৎকারে ভাঙে সুদৃশ্য দেওয়াল
মানবিক সংলাপ তখন মাস্ক-পরিহিত অনন্য মুখোশ !
চৈতন্যটনিক
আখাম্বা নাশপাতি ঝোলে কবিতার শরীরগাছ
হামাগুড়ি দিয়ে হাঁটে কাব্যরস ছলাৎ ছলাৎ
মাটাপালাম কাপড়ে মোড়া চুল্লুলাশ
বেহদিশ নিয়মমাফিক
অতঃপর খালাসিটোলা জেলায় জেলায়
জেরবার চিৎকার আর পৌনঃপুনিক
মৃত্যুযন্ত্রণা থেকে প্রবাহিত আঁকশি
ঝুলে আছে ঝুলে আছে
নিরালম্ব আমাদের উদ্বৃত্ত চৈতন্যটনিক।

Comments
Post a Comment