কবি কাপালিক দুহিতা
সুযোগ
চৈতন্যের খোঁজে...
পথের ঠিকানা- চিনে নেয় গৌড়চন্দ্র।
চতুর্মুখী পথে ভাঙা স্যুটকেস জুড়ে
প্রত্নতাত্ত্বিক আত্মার ক্ষুদ্রাতি সারাংশে
পুরোনো চিঠির আলাপন।
খুঁজে খুঁজে তুলে আনে ভক্তির খাজাঞ্চিখানা।
"চণ্ডালেহিপি দ্বিজশ্রেষ্ঠঃ হরিভক্তিপরায়ণঃ"
হরি- ডোম ছাড়া ঈশ্বর অচল।
গৌরাঙ্গ'দা, সব সুযোগ সমান হলো না যে আজও!
'সুযোগ' অপরিপক্ক জীবন্ত ফসিল।
ধ্যান
"ততক্ষণই স্থিরতা, যতক্ষণ নিজেকেই
দেখতে না পাই...দূর ছায়াপথের ধূলোয়।"
মানুষের শোক, দুঃখ-গাঁথা
ঠিক ততক্ষণ___
নারীদের বঞ্চনায়, শিশুদের অনাহারে
রাজনৈতিক বন্দিত্বে বা কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে
পরিযায়ী শ্রমিকের পা'য়ে রক্তাক্ত সোনালী রোদে।
ব্যস্ত সড়কের জ্যামে বা লিফটের ভিতর
পুরো জীবন সমেত চেতনার বীজে
জল ঢালতে থাকুন।
গহনের বীজ থেকে জন্ম নেবে যে মুকুর
তার নাম স্থির-বৃষ্টি।

This comment has been removed by the author.
ReplyDeleteখুব সুন্দর লেখা
ReplyDelete